স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত তুচ্ছ ঘটনা—বিশেষ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ‘বদুর বংশ’ এবং ‘সদার বংশের’ মধ্যে গত এক মাসে চারবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কেন এই বারবার মারামারি, তা অনেক গ্রামবাসীও স্পষ্ট করে বলতে পারছেন না।
এই বিরোধ মেটাতে গত বুধবার তেয়ারিচর এলাকায় একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে বাড়ি ভাঙচুর, মারামারি এবং আহতদের চিকিৎসার খরচ বাবদ উভয় পক্ষকে জরিমানা করা হয়। তবে হিসেব অনুযায়ী বুদুর বংশের ওপর ১৫ হাজার টাকা বেশি জরিমানা আসায় মাসুম মিয়ার নেতৃত্বে তাদের লোকজন ক্ষুব্ধ ও মনঃক্ষুণ্ন হয়।
এই অসন্তোষের জেরে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষ আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হলে অন্তত ১০ জন আহত হন। সেই ঘটনার জের ধরে শনিবার সকাল ১১টায় দুই পক্ষের লোকজন টেঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চূড়ান্ত সংঘর্ষে জড়ায়। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই রণক্ষেত্রে আরও ৪০ জন আহত হন। খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।







