• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
লন্ডনে এমপি মনিরুল হক চৌধুরীকে যুক্তরাজ্য বিএনপির সংবর্ধনা ৩৯ নং ওয়ার্ডের আকমল আলী রোডস্থ সৎ সংঘের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শন ও শুভ উদ্বোধন ছাত্রত্ব নেই, তাও হোস্টেল দখলে ছাত্রদল নেতারা: সিট বাণিজ্যের অভিযোগ! কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যার রহস্য উদঘাটন, ২ আসামি গ্রেফতার শুধু আটকের সংখ্যা দিয়ে কি দুই আন্দোলনের তুলনা চলে? ট্রেনে কাটা পড়া নারীর ওপর দিয়ে গেল আরেক ট্রেন ইরানের সক্ষমতা দেখে কোনো শত্রু হামলার সাহস পাবে না: পেজেশকিয়ান বিশ্ববাজারে ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছাল তেল হুথি হামলায় সম্পৃক্ততার সৌদি অভিযোগ অস্বীকার ইরানের দুর্গাপূজায় এবার সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

‘আমি মারা গেছি শুনে ও খুব কেঁদেছিল, ওকে ভোট দিতেই হবে’

অনলাইন ডেস্ক / ৫৩ Time View
Update : রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারও সরগরম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। নির্বাচনের আমেজে দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে জড়ো হচ্ছেন প্রবীণ ও নবীন শিল্পীরা। এ আবহে নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় নির্বাচন ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জার।

তিনি বলেন, সাধারণ সময়ে এফডিসিতে মানুষের উপস্থিতি খুবই কম দেখা যায়। তবে নির্বাচন এলেই চলচ্চিত্রপাড়া আবারও প্রাণ ফিরে পায়। রসিকতার ছলে তিনি বলেন, সাধারণ সময়ে এফডিসিতে দু-একটি কুকুর ছাড়া তেমন কাউকে দেখা যায় না, কিন্তু ভোটের সময় শিল্পীদের ভিড়ে পুরো পরিবেশ বদলে যায়।

বর্তমানে চলচ্চিত্রে কাজ কমে যাওয়ায় তিনি নিয়মিত এফডিসিতে আসেন না বলেও জানান। তার ভাষ্য, এখন তিনি মূলত নাটক ও বিজ্ঞাপনের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। তবে শিল্পী সমিতির নির্বাচন এলে পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হওয়ার সুযোগ মেলে, নতুনদের সঙ্গেও পরিচয় হয়—যা তাকে আনন্দ দেয়।

কাকে ভোট দেবেন? জানতে চাইলে হারুন কিসিঞ্জার বলেন, ‘ভোটের আগের রাতে বসে চিন্তা করবো এত ভদ্র মানুষের ভিড়ে কাকে ভোট দেওয়া যায়। দুই প্যানেলের সবাই ভালো মানুষ। তবে একটা ভোট আমি এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারি। আমার শিষ্য চিকন আলীকে আমি অবশ্যই ভোট দেবো।’

চিকন আলীকে ভোট দেওয়ার পেছনের কারণও হাস্যরসের সঙ্গে তুলে ধরেন হারুন কিসিঞ্জার। তিনি বলেন, ‘আমি কোনোদিন নির্বাচন করিনি। আগে থেকেই বলেছি, চিকন আলী নির্বাচন করছে। তাকে একটা ভোট দেবো। আমি মারা গেছি এমন গুজব ছড়ানোর পর সে অনেক কান্নাকাটি করেছিল। তাই ওকে একটা ভোট তো দিতেই হবে।’ বলেই হেসে ওঠেন হারুন কিসিঞ্জার।

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির বিষয়ে প্রার্থীদের সতর্ক থাকার পরামর্শও দেন হারুন কিসিঞ্জার। তার মতে, শিল্পীদের এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়া উচিত নয়, যা পরে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, ‘আগে অনেক বড় বড় তারকা নির্বাচনের সময় বলেছিলেন শিল্পীদের জায়গা দেবেন, ফ্ল্যাট দেবেন, থাকার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। আমার কথা হলো, এখন যারা নির্বাচন করছেন তারা যেন মিথ্যা কথা না বলেন। যেটা পারবেন, শুধু সেটাই প্রতিশ্রুতি দিন। শিল্পীদের সঙ্গে মিথ্যা বলার দরকার নেই। পরে কিন্তু ধরা খেতে হবে।’

শিল্পী সমিতির নির্বাচনের অতীতের স্মৃতিচারণ করে হারুন কিসিঞ্জার বলেন, একসময় এই নির্বাচন ঘিরে যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হতো, তা জাতীয় নির্বাচনের আবহকেও হার মানাত। যদিও এবার সেই জৌলুস কিছুটা কমেছে, তবুও শিল্পীদের মিলনমেলা হিসেবে এই আয়োজনের গুরুত্ব এখনো অটুট রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category