• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
লন্ডনে এমপি মনিরুল হক চৌধুরীকে যুক্তরাজ্য বিএনপির সংবর্ধনা ৩৯ নং ওয়ার্ডের আকমল আলী রোডস্থ সৎ সংঘের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসব পরিদর্শন ও শুভ উদ্বোধন ছাত্রত্ব নেই, তাও হোস্টেল দখলে ছাত্রদল নেতারা: সিট বাণিজ্যের অভিযোগ! কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যার রহস্য উদঘাটন, ২ আসামি গ্রেফতার শুধু আটকের সংখ্যা দিয়ে কি দুই আন্দোলনের তুলনা চলে? ট্রেনে কাটা পড়া নারীর ওপর দিয়ে গেল আরেক ট্রেন ইরানের সক্ষমতা দেখে কোনো শত্রু হামলার সাহস পাবে না: পেজেশকিয়ান বিশ্ববাজারে ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে পৌঁছাল তেল হুথি হামলায় সম্পৃক্ততার সৌদি অভিযোগ অস্বীকার ইরানের দুর্গাপূজায় এবার সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নাগেশ্বরীতে মসজিদের নামে টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক / / ৬৬ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে মসজিদের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুয়া মসজিদ কমিটি ও জাল সিল তৈরি করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করে, তা আত্মসাৎ করার চেষ্টা চালান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আপতার আলী।

মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, নাগেশ্বরী
উপজেলার বেরুবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ চিলমারি জামে মসজিদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে টেস্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্পের মাধ্যমে ২ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দের কথা মসজিদ কমিটির কাউকে না জানিয়ে সেই টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালান উক্ত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আপতার আলী ।

মসজিদ কমিটির সদস্যরা আরও জানান, বরাদ্দের বিষয়টি মসজিদ কমিটি জানতে পারলে তখন মসজিদে ৪০ হাজার টাকা দেন ইউপি সদস্য।

মসজিদ খতিব নুরনবী আলী বলেন, আপতার মেম্বারকে টাকার কথা বলায় ওনি অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। আরও বলেন, ‘এই ৪০ হাজার টাকাও না নিলে আমি অন্য খানে দিবো। আপনারা কী করতে পারবেন?

মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার জানান, আমি জৈনিক ব্যক্তির কাছে শুনেছি এই মসজিদের নামে আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা এখানে দিবে। সেই ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ৪০ হাজার টাকা দিয়েছে আর ১০ হাজার টাকা পরে দিবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আপতার আলীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং ফাইনাল বিলও উত্তোলন করেছি। ৪০ হাজার টাকা কেন দিয়েছেন এটা জানতে চাইলে তিনি জানান বাকি টাকা অফিস খরচ হয়েছে।
কোন অফিসে খরচ হয়েছে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবে বলে মুঠোফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মোফাখখারুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই। আপনি মসজিদের নাম ঠিকানা আমার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। তদন্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এবিষয়ে মুঠোফোনে নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category