দীর্ঘ বিরতির পর আবারও যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা (ডিভি) লটারি চালুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ডিভি লটারি বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা মামলায় গত ১৯ অক্টোবর দেশটির একটি ফেডারেল আদালত কর্মসূচিটি পুনরায় চালুর পক্ষে রায় দিয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ডিভি লটারির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং ১ নভেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণের পোর্টাল চালুর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নিবন্ধন কার্যক্রম অন্তত ৩০ দিন চালু রাখার কথা বলা হয়েছে। নির্বাচিত আবেদনকারীদের বিষয়ে ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নোটিশ দেওয়ার সময়সীমার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে বাংলাদেশিরা এবার ডিভি লটারিতে আবেদন করতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
বাংলাদেশ কেন ডিভি লটারির বাইরে?
যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে অযোগ্য। মূলত, আগের পাঁচ বছরে কোনো দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ৫০ হাজারের বেশি অভিবাসী গেলে দেশটি সাধারণত এই কর্মসূচির বাইরে থাকে। ডিভি-২০২৬-এর সরকারি নির্দেশনাতেও বাংলাদেশকে অযোগ্য দেশের তালিকায় রাখা হয়েছিল।
ডিভি লটারির মাধ্যমে প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে বাংলাদেশ এবার যোগ্য দেশের তালিকায় ফিরবে কি না, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার ওপর।
আবেদনকারীদের জন্য সতর্কতা
ডিভি লটারি চালু হলে আবেদনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদন শুরুর তারিখ, যোগ্যতা এবং আবেদনের নিয়ম নিশ্চিত না হয়ে কোনো ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া উচিত নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ডিভি লটারিতে নিবন্ধন বিনামূল্যে করা যায়। অর্থের বিনিময়ে লটারিতে বিজয়ী করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
আবেদনের সরকারি ওয়েবসাইট: dvprogram.state.gov