• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মাছের খাদ্যে ন্যানো বিপ্লবের পথে যবিপ্রবি, দ্বিতীয় পেটেন্ট পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ ব্রাহ্মণপাড়ায় ডাকাতি মামলার তিন আসামি গ্রেপ্তার, স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধার গোমতীর চরে সবজি চাষে ১০ নারী কৃষাণীকে এক লাখ টাকা জেলা প্রশাসনের অনুদান দাউদকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত ১২ কুমিল্লায় সাঁড়াশি অভিযানে এক রাতে আটক ২৯৯, ১৫৯ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা বুড়িচংয়ের বারেশ্বরে কৃষিজমির মাটি-বালু লুটের মহোৎসব, অভিযোগের তির ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি দিকে দেবিদ্বারে জট খুলল ছাত্রদল নিয়ে রহস্যজনক পোস্টের : নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা জেলা সদস্য সচিবের চৌদ্দগ্রামে বিল্লাল হত্যা: তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের পেছনে ছিনতাই-ভিডিও ভাইরাল, আটক ৪ কুমিল্লায় নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল ভারতীয় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মরদেহ

কুমিল্লায় সাঁড়াশি অভিযানে আটক ৩৮৫, শ্রমিক অসন্তোষে উসকানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

কুমিল্লক জেলা প্রতিনিধি / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬

কুমিল্লায় শিল্পকারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উসকানিদাতা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাং, ছিনতাইকারী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে একযোগে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৩৮৫ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় শ্রমিক অসন্তোষে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে মাসুদ রানা (২৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি পুলিশ সমন্বিতভাবে অভিযানে অংশ নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উসকানিদাতা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ছিনতাইকারী এবং বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের লক্ষ্য করে এ অভিযান চালানো হয়। মহানগরীর বিভিন্ন স্থানসহ জেলার প্রতিটি থানার অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। আটক ৩৮৫ জনের মধ্যে মাদক কারবারি, মাদকসেবী, ছিনতাইকারী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরা রয়েছেন।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালানো হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, নিরাপদ নগরী গড়ে তোলা ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category