চাঁদপুরের কচুয়া, ১২নং- ইউনিয়ন আশ্রেফপুরের ৮নং ওয়ার্ডের কালোচৌঁ গ্রামের কিশোর গ্যাং এর মূল হোতা মজুমদার বাড়ির লিমন, শাহজালাল, রায়হান, সাকিব। এই তিন কিশোর গ্যাং লিডারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ স্থানীয় ৮নং ওয়ার্ডের কালোচৌঁ গ্রাম বাসী।
কচুয়া থানার ৮নং ওয়ার্ডের কালোচৌঁ গ্রামের কিশোর গ্যাং দীর্ঘদিন থেকে নানা অপকর্ম করে আসলেও প্রতিবাদ করার কেউ নেই, আই আসছেনা আইনের আওতাধীন কেহ। সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায় যে, ইয়াবা ব্যাবসা ও সেবন সহ জমি জবর দখল, চাঁদাবাজি সহ অস্ত্র বাজির, মারামারি তাদের যেন তাদের নেশা ও পেশায় রূপান্তরিত হয়েছে। জানা যায় যে, গত ০৮/০৫/২০২৬ইং তারিখে প্রবাসী ইসহাক মজুমদার তার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে খেতের আইল দিতে গেলে কিশোর গ্যাংয়ের মূল হোতা লিমন, শাহজালাল, রায়হান ও সাকিব, আজাদ সহ আরো আরও ৭/৮ জন সন্ত্রাসী প্রবাসীর উপর হামলা চালায়। শাহজালাল চাইনিজ কুড়াল, সামুরাই, লিমন, বড় ছোরা ও নানা ধরনের দেশীয় ও বিদেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রবাসীর জমিটি দখলে নিয়ে নেয়। প্রবাসী ইছাক মজুমদার নিজের কেনা জমি ও সকল কাগজপত্র থাকলেও সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং বাহিনীর হামলার শিকার হয়ে নিজ জমিটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়।
এই কিশোর গ্যাংদের আজাদ মজুমদার শেল্টার দেন বলে সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়। এই বাহিনীর খাল ও কালভার্ট ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ করে দোকানের নামে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকারও অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। অবৈধ ভাবে খাল ভরাট করে মার্কেট নির্মাণ করে উক্ত মার্কেটে বসেই সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ বাহিনীদের একাধিক স্থানে খাল ভরাটের কারণে শত শত কৃষক বর্ষা মৌসুমে ফসল ঘরে তুলতে পারে না বলেও একাধিক কৃষকের অভিযোগও রয়েছে। পার্শ্ববর্তী আদ্রা গ্রামের কৃষকরাও জলাবদ্ধতার কারণে তাদেরও ফসল বাড়িতে উঠাতে পারেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
গত ০৮/০৫/২০২৬ইং তারিখে প্রবাসী ইসাহাক মজুমদারের ভূমি দখল করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি। তারা তাকে ও তার পরিবারের লোকজনদেরকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে এবং হত্যার পরিকল্পনা আছে। এখনই তাদের আইনের আওতায় না আনলে তারা যে-কোনো সময় এই প্রবাসী ও তার পরিবারের লোকজনদেরকে হত্যা করতে পারে। এ প্রবাসী জানান, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছে। রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই কিশোর গ্যাংদেরকে থামানো সম্ভব নয়। তাদেরকে আইনের আওতায় আনা জরুরি।