একজন শীর্ষস্থানীয় ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহর নতুন প্রজন্মের ড্রোন মোকাবিলায় কোনো কার্যকর প্রযুক্তিগত সমাধান বর্তমানে নেই।
ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে যে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর উত্তর ফ্রন্টে রিজার্ভ স্থলবাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন—ফাইবার অপটিক প্রযুক্তিতে নিয়ন্ত্রিত ড্রোনগুলোর বিরুদ্ধে কোনো প্রযুক্তিগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই।
তিনি আরও বলেন, হিজবুল্লাহকে উত্তর দিকে ঠেলে দেওয়া বা প্রতিরোধ করাও কার্যকর নয়, কারণ এসব ড্রোন প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত আঘাত হানতে ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-ও এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সেনাবাহিনী হিজবুল্লাহর বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোনগুলোকে তাদের প্রধান অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করছে এবং স্বীকার করছে যে এগুলোর বিরুদ্ধে কোনো বাস্তবসম্মত সমাধান নেই।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ড এখন ড্রোন অপারেটরদের শনাক্ত করার জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করেছে, তবে এখনো পর্যাপ্ত ফল পাওয়া যায়নি।
একজন রিজার্ভ সেনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘আমরা ড্রোনের সামনে অসহায় অবস্থায় আছি, আকাশে একটি যুদ্ধবিমান নজরদারি করছে।’
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ফাইবার অপটিক নিয়ন্ত্রিত আত্মঘাতী ড্রোনগুলো ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান ও যানবাহনে সফলভাবে আঘাত হানছে, এবং ইসরায়েলি সূত্রগুলোও স্বীকার করছে যে এগুলোর মোকাবিলায় কার্যত কোনো কার্যকর সমাধান নেই।
এই ধরনের ড্রোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় লেবানন সীমান্তে সংঘাতটি ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে পরিণত হচ্ছে এবং উত্তরাঞ্চলের বসতি থেকে ইসরায়েলি বাসিন্দাদের ফিরে আসা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি