ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ছয়টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। এগুলো হলো—টাঙ্গাইলের নাগরপুরের সলিমাবাদ আনোয়ার খান মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ভূঞাপুরের গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ীর পাংশার বনগ্রাম আতারুননেসা উচ্চ বিদ্যালয়, রাজবাড়ী সদরের জালদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার জঙ্গলিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং বিদেশ কেন্দ্রের বাংলাদেশের দোয়েল একাডেমি।
যশোর বোর্ডে ১১ প্রতিষ্ঠান
যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার ১১টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরার নাইশা মাধ্যমিক স্কুল থেকে সাতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। আশাশুনির গোদারা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, শ্যামনগরের সাহেবখালী সিদ্দিক গাজী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন এবং দেবহাটার বাবুরাবাদ ধাপুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন অংশ নিয়ে কেউ পাস করতে পারেনি।
এ ছাড়া খুলনার ডুমুরিয়ার কাটেঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারজন, খালিশপুরের আসমা সরোয়ার ইসলামিক হাইস্কুল থেকে চারজন এবং বাগেরহাটের শরণখোলার ডি এন একতা গার্লস হাইস্কুল থেকে দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের কেউ উত্তীর্ণ হয়নি।
যশোরের মনিরামপুরের চানদুয়া সমাসকাটি গার্লস হাইস্কুল থেকে তিনজন, হেলাঞ্চি কৃষ্ণবাটি মাধ্যমিক গার্লস স্কুল থেকে একজন, শার্শার সারাতলা জুনিয়র গার্লস হাইস্কুল থেকে দুজন এবং মুক্তিযোদ্ধা জি কে জি এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করেনি।
চট্টগ্রাম বোর্ডে ৮ প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আটটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ফটিকছড়ির নারায়ণহাট গার্লস হাইস্কুল, রাঙামাটির বরকলের আন্দরমানিক (মাইছছড়ি) জুনিয়র হাইস্কুল, লংগদুর মহালছড়ি হাইস্কুল, সন্দ্বীপের উরিরচর জুনিয়র হাইস্কুল, খাগড়াছড়ির ভাইবোনছড়া গার্লস হাইস্কুল, দীঘিনালার জারুলছড়ি হেডম্যানপাড়া হাইস্কুল, দীঘিনালার তারাবানিয়া হাইস্কুল এবং বাঘাইছড়ির শিলজাক দজার বাজার জুনিয়র স্কুল।
বরিশাল বোর্ডে ৫ প্রতিষ্ঠান
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এগুলো হলো—ঝালকাঠি সদর উপজেলার সাওরাকাঠি নব আদর্শ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাঠালিয়া উপজেলার বানাই রাবেয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পিরোজপুর সদর উপজেলার পোরগোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কেরামত গায়জাউদ্দীন নূরমোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রতনপুর পঙ্কজ দেবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের যথাক্রমে সাতজন, ছয়জন, আটজন, পাঁচজন ও সাতজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু কোনো শিক্ষার্থীই কৃতকার্য হতে পারেনি।
সব মিলিয়ে, এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল হয়েছে শূন্য। গত বছরের তুলনায় এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার মান, প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।