• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সিসিপিএ ৫০তম র‍্যাপিড দাবায় ফজলে নুর বাপ্পি চ্যাম্পিয়ন, মালেক রানার্স আপ হামলা-লুটপাটে জড়িত চক্রের মূলহোতা রাজু – কারাগারে ৩ আসামি তালাক এর পর ৫ লিটার দুধে গোসল, আলোচনায় পরিমল চন্দ্র দাস কচুয়া থানা পুলিশের অভিযানে ৫ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার প্রেমের বিয়ে, বাবার বাড়িতে নিয়ে শিকলে বেঁধে কিশোরীকে আটকে রাখার অভিযোগ কুমিল্লায় সিএনজি চালকদের সড়ক অবরোধ “জিবি নামক” চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঢাকা ডিবি উওর পুলিশের অভিযানে একশ বিশ পিছ ইয়াবা উদ্ধার গ্রেফতার ৩ জন ইতালিতে ভাই হত্যাকাণ্ড, পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ কুমিল্লায় বাল্যবিবাহ বন্ধ করলেন এমপি, শিক্ষার দায়িত্ব নিলেন কিশোরীর নারায়ণগঞ্জ সর্বোচ্চ বাংলাদেশ ২৪ ঘন্টায় ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টি

তৃতীয় শক্তির মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট ফিরার পরিকল্পনা

লেখক ডা. বশির আহম্মেদ / / ১০৭ Time View
Update : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

নিশ্চয়ই বোলু(ছদ্ম নাম) এর আমার এক ভারতীয় এজেন্টের বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে ফোনালাপ প্রকাশ করেছিলাম। খেয়াল করে দেখুন তার কথা গুলো অক্ষরে অক্ষরে ফলতে শুরু করেছে যথারীতি। তার ২য় ফোনালাপ নিরাপত্তা জনিত কারনে হুবহু প্রকাশ সম্ভব হয় নি।তার তৃতীয় ফোনালাপও আমার সাথে হয়েছে। চলুন শেষের দুটি ফোনালাপের সারমর্ম আলোচনা করি।

এখানে সে নিশ্চিত করেছে বিএনপি ও জামায়াত সহ অন্যান্য দল গুলোকে ব্যস্ত রেখে কিভাবে আওয়ামিলীগ ও তার আদর্শপুষ্ট অন্যান্য দল গুলোকে কিভাবে ক্ষমতায় আনা যায়, ক্ষমতায় না আনতে পারলেও অন্তত প্রধান বিরোধী দলের অবস্থানে নিয়ে আসা যায় সে পরিকল্পনা করে সে অনুযায়ী কাজ শুরু করেছে স্বৈরাচার আওয়ামিলীগ । তাদের অপকৌশল গুলো এক এক করে তুলে ধরা হলো।

১। দেশকে অস্থিতিশীল রাখা:
তাদের প্রধান লক্ষ্য এই মুহূর্তে দেশকে অস্থিতিশীল করে রাখা আর এর জন্য তারা বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠন, ছাত্র সংগঠন, রিক্সা, গার্মেন্টস সহ বাংলাদেশের যেকোনো সংগঠনকে বিশৃঙ্খলা করতে উসকে দেওয়া।

কৌশল: এ কাজে সর্ব প্রথমে বাংলাদেশের ডিজিএফআই নামক হাসিনার সাজানো গোয়েন্দা সংস্থা সরাসরি কাজ করে।
দ্বিতীয়ত কাজ করে ফ্যাসিষ্ট সমর্থিত হাসিনার কর্মীরা।

২।বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের বিতর্কিত করাঃ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের নেতা গুলোকে বিভিন্ন লোভ,টাকা,হাসিনা সরকারের সাথে অতীতে গোপনে নামান অপকর্মের সাথে জড়িত থাকা নেতাদেরকে মাইনকার চিপায় ফেলে তাদের দিয়ে বিভিন্ন অসংলগ্ন কথাবার্তা ও অপকর্ম করিয়ে তাদেরকে দল ও জনগনের সামনে বিতর্কিত করে সুযোগ বুঝে গনধোলাই দেওয়া এবং জাতির সামনে ভিলেন বানানো।

কৌশল: এই জন্য ভারতীয় “র” এর টাকাই মূলত নিয়ামক হিসাবে কাজ করে।

৩।নির্বাচন বিঘ্নিত করাঃ
নির্বাচন বিঘ্নিত করার আরেকটা বড় অপকৌশল সাজিয়েছে ফ্যাসিস্টরা ভারতে বসে। এজন্য সম্ভবত তারা আওয়ামিলীগ আমলের নির্বাচন কমিশনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়োগ দেওয়া নির্বাচন কমিশনারদের নিয়ে একটা সংগঠন গঠন করেছে, এদের দিয়ে বিভিন্ন দাবী দাওয়া উত্থাপন করে আন্ূোলন করিয়ে কর্মবিরতি দিয়ে নির্বাচনকে বিঘ্নিত করবে। তাছাড়াও নির্বাচনের পূর্বে বাংলাদেশ পুলিশের একটা বড় অংশ জুলাই বিপ্লবে নিহত পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবীতে বিদ্রোহ করার পরিকল্পনা চলছে।

কৌশল: বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার টাকা, হাসিনার গোলাম সরকারী কর্মকর্তা।

৪। নির্বাচনে অংশ নেওয়া কোনো দলের ঘাড়ে চাপা:
যদি একান্তই নির্বাচন বানচাল না করা যায় তাইলে হাসিনার আমলে ১৪ দলীয় জোটের কোনো একটি দলকে তারা তাদের বোট গুলো দিয়ে নির্বাচনে জিতিয়ে দেওয়া। এই কাজে সবার আগে ব্যবহার করবে তারা তাদের চির গোলাম জাতীয় পার্টিকে,তাছাড়াও পরিকল্পনায় আছে বিগত ২০২৪ সালে ডামী নির্বাচনের যেসকল ডামী স্বতন্ত্র প্রার্থী এখনো বিতর্কিত হয় নি অথবা এখনও দেশে অবস্থান করছে তাদেরকে বরাবরের মত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করিয়ে আওয়ামিলীগ এর ভোটগুলা তাদেরকে দিয়ে দেওয়া।

অপকৌশলঃ
১।মহাজোটের এমপি প্রার্থীদেরকে যে যেখানে ভোটে এগিয়ে থাকবে তাদেরকে আওয়ামিলীগ এর ভোটগুলো দিয়ে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।

২। ডামী নির্বাচনে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরকে জেতানোর চেষ্টা করা।

৩।বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী যারা যোগ্যতা থাকার পরও দল হতে নমিনেশন বঞ্চিত হবে তাদেরকে টাকা দিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করানো অথবা টাকা দিয়ে গোপনে আওয়ামিলীগ সমর্থিত স্বন্ত্র প্রার্থীদেরকে সহায়তা করিয়ে পাস করানো।

৫।দেশে খাদ্য দ্রব্যের কৃত্রিম সংকট তৈরীর চেষ্টা করাঃ
নির্বাচনের আগ মুহূর্তে অথবা সুযোগ মত কৌশলগত সুবিধাজনক সময়ে আওয়ামিলীগের ঘাপটিমারা খাদ্য সরবরাহকারী দালাল সিন্ডিকেট এর লোকগুলা সময় মত সবাই মিলে হঠাৎ খাদ্য সরবরাহ চেইন বন্ধ করে দেবে।

৬। কথিত সুন্নী জামায়াতের আওয়ামিলীগ আমলে নিবন্ধন প্রাপ্ত অথবা আওয়ামিলীগ এর সহচর নাম মাত্র ইসলামী দলগুলোকেও কাজে লাগাবে এই আওয়ামিলীগ।

কৌশল: এখনও ৯৫% মজুদদার আওয়ামিলীগ এর আমলের আওয়ামিলীগের দালাল রয়েই গেছে,এই দালালরাই এই কাজ করবে।

৬।লেবাস পাল্টে বিএনপি -জামায়াতে ঢুকে পড়া:
এই কাজটা অলরেডি সেরে ফেলেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামিলীগ। অর্থাদ আওয়ামিলীগ এর লোক গুলো প্রচুর টাকার বিনিময়ে বিএনপি ও জামায়াতের দলে ঢুকে পড়ে নিজেকে আপাতত নিরাপদ রাখা। পরবর্তী সময়ে সুযোগ বুঝে আসল রুপ ধারন করবে।

কৌশল: এই কাজে সবচেয়ে বেশী বিক্রি হচ্ছে বর্তমানে জামায়াতে ইসলামী,বিএনপিও পিছিয়ে নাই, তারা পরবর্তীতে আওয়ামিলীগ এর ভোট গুলো পাবে এই আশায় আওয়ামিলীগ এর বিভিন্ন অপরাধীদের যারা অতীতে জামায়াতকেই ক্ষতি করেছে তাদেরকে প্রচুর টাকার বিনিময়ে এবং আওয়ামিলীগের ভোটগুলো পেয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার মিথ্যা আশায় আওয়ামিলীগদেরকে সেফ করছে।

আর বিএনপি কথা একাজে আশা করি বলা লাগবে না, তাদের অনেক নেতাকে তো অলরেডি আওয়ামিলীগ এর দালালীর জন্য প্রকাশ্যেই কথা বলাতে সক্ষম হয়েছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা।

৭।প্রভাবশালী নেতাদের বাসায় ভাড়া থাকাঃ
গ্রাম এলাকা থেকে পালানো পাতি নেতা, এক শহর হতে অন্য শহরে পালানো মাঝারি নেতা গুলো বড় বড় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের বাসায় বেশী টাকায় ভাড়া নিচ্ছে, তাদের সাথে প্রচুর টাকা খরচ করে সখ্যতা করছ আর বাড়িওয়ালা নেতা গুলোর গতিবিধি নিয়মিত আওয়ামিলীগ এর হাই কমান্ডকে পাচার করছে এতে করে নিজেরাও নিরাপদে থাকছে আর দলকেও সহায়তা করতে পারছে।

এতটুকু তথ্যই আজ রইলো,পরের লেখায় আরো তথ্য জানাবো ইনশাআল্লাহ।

এত টাকার সোর্স কিঃ
১। বিগত ১৭ বছরে কামানো অবৈধ টাকা।
২। আওয়ামিলীগ এর প্রবাসী নেতাদের টাকা।
৩।শূভ্র দরবেশের বেক্সিমকো গ্রুপের টাকা।
৪। বসুন্ধরা গ্রুপের টাকা।

আল্লাহ দেশ ও জাতিকে আওয়ামি-ফ্যাসিস্ট হতে রক্ষা করুক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category