• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি স্মরণে হাদল বড় বিল সৈকতে পানশী নৌকা বাইচ-২০২৬; সিজন-৪’ অনুষ্ঠিত কমলনগরে রাতের আঁধারে হাজিরহাট বাজারের মডেল মসজিদের জমি দখল- ৯৯৯-এ বলেও মিলেনি কোন প্রতিকার বুড়িচংয়ে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, বাবা-মাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে মাননীয় ভূমি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ: ব্রাহ্মণপাড়ায় বার বার অভিযোগেও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ড্রেজার! ৩৯ নং ওয়ার্ডের কয়েকটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ইসরাফিল খসরু কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যা: ৭ দিনের রিমান্ডে ২ যুবক পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা সজাগ পুলিশ:কুমিল্লায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি দাউদকান্দিতে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, পরোয়ানাভুক্ত আরও ২ ব্রাহ্মণপাড়ার ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী হাসান ডাকাত চান্দিনা থেকে গ্রেপ্তার চান্দিনায় গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক

লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর অমানবিক নির্যাতন — মানবপাচার চক্রের মূলহোতা আশরাফ ও বাহার দুই ভাই

নিজস্ব প্রতিবেদক / / ১১৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিকের ওপর অমানবিক নির্যাতনের ঘটনা বিশ্ব মানবাধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ভয়াবহ মানবপাচার ও নির্যাতনচক্রের মূলহোতা হিসেবে উঠে এসেছে কুমিল্লার আশরাফ ও তার ভাই বাহার—যারা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠিতভাবে বাংলাদেশ থেকে মানুষ পাচার করে লিবিয়ায় পাঠিয়ে আসছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আশরাফ ও বাহারের নেতৃত্বে গঠিত একটি দালাল চক্র বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় তরুণদের বিদেশে পাচার করছে। এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আশরাফের দুই স্ত্রী—মাদারীপুরের রুনা ও বরিশালের সিমু। এরা লিবিয়ায় অবস্থান করে মহিলা দালালের ভূমিকায় থেকে নতুন শিকার সংগ্রহে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এই দালাল চক্র প্রথমে বাংলাদেশ থেকে প্রবাসের স্বপ্ন দেখিয়ে কয়েকটি দেশ ঘুরিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয় এবং ‘গেম ঘর’ নামে পরিচিত নির্যাতন কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়। এরপর মুক্তিপণের জন্য পরিবারের কাছে ফোন করে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের ওপর চালানো হয় অকথ্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, আশরাফ ও বাহারের নির্দেশে এই নির্যাতন চলে, আর নারী সদস্য রুনা ও সিমু বাংলাদেশে থেকে নতুন প্রবাসপ্রত্যাশীদের প্রলুব্ধ করে পাচারের কাজে যুক্ত করেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, লিবিয়ায় বাংলাদেশিদের এই দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের জন্য সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, এই “মাফিয়া আশরাফ-বাহার চক্র” বহু বছর ধরে গোপনে সক্রিয় এবং আন্তর্জাতিক মানবপাচার নেটওয়ার্কের সঙ্গেও তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category