জ্বালানিমন্ত্রী জানান, একটি স্থিতিশীল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ খাতের সমন্বিত উন্নয়ন প্রয়োজন ছিল, যা অতীতে যথাযথভাবে হয়নি। বর্তমানে উৎপাদন ও সঞ্চালনে বড় কোনো ঘাটতি না থাকলেও বিতরণ পর্যায়ের কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।
তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে যাকে লোডশেডিং বলা হয়, তা আসলে বিতরণ লাইনের ত্রুটি ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে ঘটছে। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুতের কিছু এলাকায় অতিরিক্ত দীর্ঘ লাইন (৯০–১০০ কিলোমিটার) ব্যবহারের ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে, যেখানে আদর্শ দৈর্ঘ্য ৩০–৩৫ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা উচিত।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও বলেন, এই অপরিকল্পিত সম্প্রসারণ শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় গ্রিড ব্যবস্থার ওপরও চাপ সৃষ্টি করছে। সমস্যা সমাধানে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা ও নতুন বিদ্যুৎ উৎস সংযুক্তির পরিকল্পনা পর্যালোচনা চলছে।







