নওয়াজ বলেন, নির্বাচনে তার দল জয়ী হলে তাকে আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে অনুরোধ জানাতে চান। তিনি বলেন, ‘আমি যদি এখানে প্রধানমন্ত্রী হই, তাহলে আজাদ কাশ্মীরের সব সমস্যা ও দুর্ভোগ দূর করব।’
তিনি আরও বলেন, তিনি আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী না হলেও দলের স্থানীয় নেতৃত্বকে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের নির্দেশ দেবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি তিন মাস অন্তর মুজাফফরাবাদ, রাওয়ালাকোট ও অন্যান্য শহর সফর করে প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিজে তদারকি করবেন।
আজাদ কাশ্মীরের জন্য পাঞ্জাব সরকারের ঘোষিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কথা উল্লেখ করে নওয়াজ বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মুজাফফরাবাদে ১০টি সবুজ বাস পৌঁছাবে। পাশাপাশি খুব শিগগিরই সেখানে বৈদ্যুতিক বাস চলাচল শুরু হবে। তিনি আরও ঘোষণা দেন, আজাদ কাশ্মীরে ১৫টি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল দেয়া হবে। এতে দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নওয়াজ বলেন, ‘এখানে কেউ অসুস্থ হলে এখনও তাকে খাটিয়ায় করে সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়, এরপর ইসলামাবাদে পাঠানো হয়। পথে অনেকের মৃত্যুও হয়। এমন পরিস্থিতি থাকা উচিত নয়।’
তিনি বলেন, তার সরকারের শুরু করা মোটরওয়ে প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ তার সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই থেমে যায়। তিনি বলেন, ‘সেসব প্রকল্প চলতে থাকলে শুধু শেষই হতো না, আরও সম্প্রসারিত হতো। আমরা অনেক মূল্যবান সময় হারিয়েছি, আর সেটিই আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়।’
নওয়াজ বলেন, আজাদ কাশ্মীরের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আর সময় নষ্ট করা উচিত নয়। তার অভিযোগ, তার পর ক্ষমতায় আসা সরকারগুলো কাজের পরিবর্তে শুধু স্লোগান ও আবেগনির্ভর বক্তব্য দিয়েছে এবং পাকিস্তানের ক্ষতি করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আবার ক্ষমতায় ফিরলে হারিয়ে যাওয়া সবকিছু পুষিয়ে দেব।’
পাকিস্তানের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একদিন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিক থেকে মুজাফফরাবাদ ইসলামাবাদ, লাহোর, করাচি, পেশোয়ার ও কোয়েটাকেও ছাড়িয়ে যাবে বলে তার আকাঙ্ক্ষা।