আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই নির্বাচনী ডামাডোলের মধ্যে স্থানীয় জনগণের একাংশের প্রত্যাশা ও আলোচনায় উঠে এসেছেন জনপ্রিয় সমাজকর্মী ও শিক্ষানুরাগী মনিরা বিশ্বাস। উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাকে দেখতে চায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মনিরা বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে রাণীশংকৈলের তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া নারী সমাজ, অসহায় পরিবার এবং শিক্ষা প্রসারে তার নিরলস কর্মকাণ্ড স্থানীয়দের নজর কেড়েছে। যেকোনো বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নিরহংকারী আচরণের কারণে তিনি সর্বমহলে বেশ পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় অনেক ভোটার ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, রাণীশংকৈলের উন্নয়নের ধারাকে বেগবান করতে এবং নারীদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে মনিরা বিশ্বাসের মতো একজন কর্মঠ ও সৎ ব্যক্তির প্রয়োজন। তারা মনে করছেন, আগামীতে উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পেলে প্রান্তিক জনপদের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “মনিরা বিশ্বাসকে আমরা ছোটবেলা থেকেই চিনি। তিনি দলের বা রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে সবার বিপদেই ছুটে যান। এমন একজন মানুষ নারী ভাইস চেয়ারম্যান হলে সাধারণ নারীরা সহজেই তাদের সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে পাবে।”
নিজের সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরা বিশ্বাস বলেন, “রাণীশংকৈলের সাধারণ মানুষ আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, তাদের এই ভালোবাসাই আমার বড় সম্পদ। সুযোগ পেলে এবং দল ও জনগণের সমর্থনে আমি সব সময় মানুষের সেবা করে যেতে চাই। বিশেষ করে এলাকার নারী ও শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে আমি কাজ করতে বদ্ধপরিকর।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, তরুণ ও দক্ষ নেতৃত্বের চাহিদার এই সময়ে মনিরা বিশ্বাসের মতো ব্যক্তিত্ব নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন। তবে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা না হলেও, সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় ইতিমধ্যেই তিনি প্রচারণার আগেই মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন।
রাণীশংকৈলের সাধারণ ভোটারদের এখন একটাই চাওয়া, আগামী উপজেলা নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে মনিরা বিশ্বাস যেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং সেবার সুযোগ পান।