• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
চট্রগ্রামের পতেঙ্গায় আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যক্রমসহ মাদক সেবনের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে গাঙ্গিনাপাড়ে জনদুর্ভোগ কমাতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের অভিযান “বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার পাঠাগার” কেন্দুয়া উপজেলায় একটি আলোর ঘর শহীদ জিয়া আন্তঃস্কুল ফুটবলে জয় পেয়েছে দক্ষিণ হালিশহর-বাকলিয়া-শেরশাহ কলোনী ও ছালেহ জহুর লালপুরে বাড়িতে ঢুকে হামলা, নারীকে মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জনের দৃষ্টি আকর্ষণ,, ওয়েবসাইটে নেই চিকিৎসকদের হালনাগাদ তথ্য: ভোগান্তিতে ব্রাহ্মণপাড়ার রোগীরা কুমিল্লায় এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণে ৯১ হাজার আবেদন, হতবাক কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির কিশোরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় বিএনপি নেতার উপর হামলা ঘিওরে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে গাছের চারা রোপন করেন ছাত্রদল নেতা।

ভালোবাসার মানুষকে ফিরে পেতে কলকাতা হাইকোর্টে বাংলাদেশি যুবক

অনলাইন ডেস্ক / / ৫৮ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

ভালোবাসার সম্পর্ক মেনে নেয়নি পরিবার। তাই পরিবারের অমতেই বিয়ে করেছিলেন বাংলাদেশের দুই তরুণ-তরুণী। কিন্তু বিয়ের এক মাসের মধ্যেই ঘটল অপ্রত্যাশিত ঘটনা। স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বাংলাদেশের এক যুবক। বাংলাদেশি ওই যুবকের নাম অরিজিৎ সরকার। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। তার দাবি, বিয়ের কিছুদিন পরই স্ত্রীর পরিবার জোর করে স্ত্রী মমি সাহাকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠিয়ে দেয় এবং কলকাতার কাছে বিরাটি এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আটকে রাখা হয়।

অরিজিৎ জানান, তিনি ও তার স্ত্রী ঢাকার নরসিংদী সদরের বাসিন্দা। প্রতিবেশী হওয়ার কারণে দুজনের মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মমির পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন তারা। তার অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পরই মমির পরিবার তাকে জোর করে আগরতলা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে আসে। পরে কলকাতার কাছে বিরাটি এলাকায় পলি সাহা ও উত্তম সাহা নামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়।

অরিজিতের দাবি, ওই দুই ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলেও অবৈধভাবে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে কলকাতায় বসবাস করছেন। উত্তম সাহা একজন ব্যবসায়ী এবং তিনি বাংলাদেশ ও ভারতে যাতায়াত করে থাকেন।

স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথমে কয়েক দিন কোনো খোঁজ পাননি অরিজিৎ। পরে ভারতে আসার প্রায় ১৫ দিন পর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন মমি। তখন তিনি জানান, পরিবার তাকে জোর করে আটকে রেখেছে।

এরপর অরিজিৎ ভারতীয় ভিসা সংগ্রহ করে ৩ জানুয়ারি ভারতে আসেন। ৪ জানুয়ারি বিরাটিতে গিয়ে স্ত্রীকে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে গেলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

অরিজিতের দাবি, পরে তিনি কোনোভাবে সেখান থেকে প্রাণে বেঁচে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি স্থানীয় নিমতা থানায় অভিযোগ করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।

পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এবং এফআইআরও দায়ের করা হয়নি বলে অভিযোগ।

এই পরিস্থিতিতে স্ত্রীকে উদ্ধারের দাবিতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন অরিজিৎ সরকার। আগামী ১৭ মার্চ মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category