• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
মরহুম আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি স্মরণে হাদল বড় বিল সৈকতে পানশী নৌকা বাইচ-২০২৬; সিজন-৪’ অনুষ্ঠিত কমলনগরে রাতের আঁধারে হাজিরহাট বাজারের মডেল মসজিদের জমি দখল- ৯৯৯-এ বলেও মিলেনি কোন প্রতিকার বুড়িচংয়ে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, বাবা-মাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে মাননীয় ভূমি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ: ব্রাহ্মণপাড়ায় বার বার অভিযোগেও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ড্রেজার! ৩৯ নং ওয়ার্ডের কয়েকটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ইসরাফিল খসরু কুমিল্লায় যুবদল নেতা কাউছার হত্যা: ৭ দিনের রিমান্ডে ২ যুবক পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ২৪ ঘণ্টা সজাগ পুলিশ:কুমিল্লায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি দাউদকান্দিতে ৫ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, পরোয়ানাভুক্ত আরও ২ ব্রাহ্মণপাড়ার ১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী হাসান ডাকাত চান্দিনা থেকে গ্রেপ্তার চান্দিনায় গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক

ভালোবাসার মানুষকে ফিরে পেতে কলকাতা হাইকোর্টে বাংলাদেশি যুবক

অনলাইন ডেস্ক / / ৬৮ Time View
Update : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬

ভালোবাসার সম্পর্ক মেনে নেয়নি পরিবার। তাই পরিবারের অমতেই বিয়ে করেছিলেন বাংলাদেশের দুই তরুণ-তরুণী। কিন্তু বিয়ের এক মাসের মধ্যেই ঘটল অপ্রত্যাশিত ঘটনা। স্ত্রীকে ফিরে পেতে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বাংলাদেশের এক যুবক। বাংলাদেশি ওই যুবকের নাম অরিজিৎ সরকার। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। তার দাবি, বিয়ের কিছুদিন পরই স্ত্রীর পরিবার জোর করে স্ত্রী মমি সাহাকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠিয়ে দেয় এবং কলকাতার কাছে বিরাটি এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে আটকে রাখা হয়।

অরিজিৎ জানান, তিনি ও তার স্ত্রী ঢাকার নরসিংদী সদরের বাসিন্দা। প্রতিবেশী হওয়ার কারণে দুজনের মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মমির পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন তারা। তার অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পরই মমির পরিবার তাকে জোর করে আগরতলা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে আসে। পরে কলকাতার কাছে বিরাটি এলাকায় পলি সাহা ও উত্তম সাহা নামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়।

অরিজিতের দাবি, ওই দুই ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলেও অবৈধভাবে ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে কলকাতায় বসবাস করছেন। উত্তম সাহা একজন ব্যবসায়ী এবং তিনি বাংলাদেশ ও ভারতে যাতায়াত করে থাকেন।

স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার পর প্রথমে কয়েক দিন কোনো খোঁজ পাননি অরিজিৎ। পরে ভারতে আসার প্রায় ১৫ দিন পর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন মমি। তখন তিনি জানান, পরিবার তাকে জোর করে আটকে রেখেছে।

এরপর অরিজিৎ ভারতীয় ভিসা সংগ্রহ করে ৩ জানুয়ারি ভারতে আসেন। ৪ জানুয়ারি বিরাটিতে গিয়ে স্ত্রীকে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানে গেলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

অরিজিতের দাবি, পরে তিনি কোনোভাবে সেখান থেকে প্রাণে বেঁচে বেরিয়ে আসেন। এরপর তিনি স্থানীয় নিমতা থানায় অভিযোগ করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি।

পরে আইনজীবী মুকুল বিশ্বাসের সহায়তায় নিমতা থানার আইসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এবং এফআইআরও দায়ের করা হয়নি বলে অভিযোগ।

এই পরিস্থিতিতে স্ত্রীকে উদ্ধারের দাবিতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন অরিজিৎ সরকার। আগামী ১৭ মার্চ মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category