• বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মানিকগঞ্জের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন দফতর আকস্মিক পরিদর্শন এ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি বাঁশখালীতে আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সাংবাদিক হেনস্তা: ফুটেজ মুছে ফেলতে বাধ্য করার অভিযোগ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড, জব্দ এস্কেভেটর ও ট্রাক চট্টগ্রামে ২৫ এপ্রিল ১১৭তম জব্বারের বলী খেলা: জব্বার চত্বরে ম্যুরাল উদ্ধোধন নারায়ণগঞ্জ পুলিশের সোর্স মামুন”কে কুপিয়েছে দূর্বৃত্তরা সোনারগাঁ থানা পুলিশের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার যুবক পুরান ঢাকায় ওয়ারীতে সাংবাদিক মোস্তাক ও ব্যাংকার মাহফুজের মাতার আত্নার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবাগত ইউএনও মোঃ আরিফুজ্জামানের সঙ্গে ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাব সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিনিময় ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান জরিমানা সহ নকল প্রসাধনী জব্দ কুমিল্লায় পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদক সহ গ্রেফতার দু”জন

রংপুরে সিজারের পর পেটে গজ কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক / / ৫৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

সিজার করার পর থেকেই‌ পেটে অসহ্য যন্ত্রণা। ওষুধ খেয়েও রোগীর মিলছে না সুফল। অতঃপর সিটিস্ক্যান রিপোর্টে জানা গেল, পেটে রয়েছে কাপড় জাতীয় বস্তু। প্রসূতির সিজারের পর পেটে গজ কাপড় রেখেই সেলাই দেওয়ার এ অভিযোগ উঠেছে রংপুরের এক গাইনি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই চিকিৎসকের দায়িত্বশীল আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা সিভিল সার্জনের।

জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাবীবা জান্নাতের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ৩নং ইউনিয়নের বড় আমবাড়ি গ্রামে। গেল ৪১ দিন ধরে পেটের অসহনীয় যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

‎ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাবিবা জান্নাত বলেন, গত ৮ মার্চ নগরীর বন্ধন জেনারেল হাসপাতালে আমার সিজার করেন গাইনি চিকিৎসক রাজিয়া বেগম মুক্তা। অপারেশনের পর থেকেই তীব্র পেটব্যথা ও জটিলতায় ভুগছি। এখন ওই ডাক্তারের কাছে আসলে ওনাকে বিষয়টি জানাই। উনি বলেন, আল্ট্রা করতে। আমি আল্ট্রা করে নিয়ে আসি, কিন্তু উনি দ্বায় স্বীকার করে না। আমি আবার গাইনি ডাক্তার মৌসুমী হাসানের কাছে যাই, তিনি সিটি স্ক‍্যান করে আমার শরীরে গজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‎ভুক্তভোগীর স্বামী শাওন মিয়া বলেন, বিষয়টি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তাকে অবগত করি, কিন্তু তিনি গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। পরে অন্য চিকিৎসকের দারস্থ হলে পরামর্শ দেন সিটি স্ক্যান করতে। এতে ধরা পরে পেটে রয়েছে কাপড় জাতীয় বস্তু। আমরা আবার সান ডায়োগনস্টিকে অপারেশন করতে গেলে গাইনি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তার স্বামী আতিক আমাদেরকে হুমকি দেন ও ডাক্তারকেও হুমকি দেন। এখন ভয়ভীতির মাধ্যমে অসহায়ভাবে ঘুরছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা অপেক্ষা না করে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে পুনরায় অপারেশনের মাধ্যমে গজটি বের করাই। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

‎রোগীর দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী ওই চিকিৎসকের কাছে বিষয়টি জানতে গেলে সান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে থাকা তার চেম্বারে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মোবাইলে ফোন দিলে একজন সহযোগী কল রিসিভ করে বলেন, ‘ম‍্যাডাম রোগী দেখছেন, পরে কথা বলবেন।’ এরপর ফোন কেটে দেন তিনি।

অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা সিভিল সার্জনের।

‎এ নিয়ে রংপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা বলেন, তদন্ত করে জানতে হবে যে দ্বায়িত্বে অবহেলা ছিল কিনা। যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি আমাদের বরাবর একটা দরখাস্ত করলে আমরা তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেবো। আমি আপনার মুখে বিষয়টি শুনলাম। এটা খুব দুঃখজনক বিষয়। একজন সহকারী গাইনী চিকিৎসকের দ্বারা এটি কখনো কাম‍্য নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category