• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
চট্রগ্রামের পতেঙ্গায় আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যক্রমসহ মাদক সেবনের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে গাঙ্গিনাপাড়ে জনদুর্ভোগ কমাতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের অভিযান “বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার পাঠাগার” কেন্দুয়া উপজেলায় একটি আলোর ঘর শহীদ জিয়া আন্তঃস্কুল ফুটবলে জয় পেয়েছে দক্ষিণ হালিশহর-বাকলিয়া-শেরশাহ কলোনী ও ছালেহ জহুর লালপুরে বাড়িতে ঢুকে হামলা, নারীকে মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জনের দৃষ্টি আকর্ষণ,, ওয়েবসাইটে নেই চিকিৎসকদের হালনাগাদ তথ্য: ভোগান্তিতে ব্রাহ্মণপাড়ার রোগীরা কুমিল্লায় এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণে ৯১ হাজার আবেদন, হতবাক কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির কিশোরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় বিএনপি নেতার উপর হামলা ঘিওরে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে গাছের চারা রোপন করেন ছাত্রদল নেতা।

ঢাবিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের প্রতিবাদের সেই ছবি ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক / / ৭৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কিছু বিভাগে এক সময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারতেন না। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মসূচিও পালন করতেন তারা। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে এমন একটি ‘বিক্ষোভ’ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) হাদির এমন একটি ছবি ফেসবুকে শেয়ার দিয়েছেন তার বোন মাসুমা হাদি। এরপর সেটি আলোচনায় আসে।

জানা গেছে, ভাইরাল ছবিটি ২০০৮ কিংবা ২০০৯ সালের। সেই সময় মাধ্যমিক (দাখিল) ও উচ্চ মাধ্যমিকে (আলিম) ২০০ নম্বর করে বাংলা ও ইংরেজি না পড়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সারির বেশ কয়েকটি বিষয় পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতেন মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও সমালোচনার মুখে ২০১৩ সালে সর্বপ্রথম দাখিল ও আলিমে ২০০ নম্বরের বাংলা এবং ইংরেজি মাদ্রাসা সিলেবাসভুক্ত করে মাদ্রাসা বোর্ড। এরপর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিষয়ে পড়ার সুযোগ পান মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

হাদির বোন মাসুমা হাদি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিটি যুক্ত করে লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যখন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু বিভাগ যেমন-বাংলা, ইংরেজি ও আইন বিষয়ে ভর্তি নিষিদ্ধ করার নীলনকশায় লিপ্ত হয়, তখন আমার ভাই (ওসমান বিন হাদি) ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসায় আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় সহপাঠীদের নিয়ে উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পাশাপাশি তিনি ডিসি অফিসে স্মারকলিপি প্রদান করেন।’

২০০৮-২০০৯ সালের দিকে হাদি ঝালকাঠির বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঝালকাঠি এন এস কামিল মাদ্রাসার আলিম পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিলেন। সেখান থেকে ২০০৯ সালে আলিম ও ২০০৭ সালে দাখিল সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়ে অনার্স-মাস্টাস শেষ করেন হাদি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category