দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১১০ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে সিলেটের স্পিন ও বোলার–সহায়ক উইকেটে এই লিডই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করা যেকোনো দলের জন্যই এই পিচে বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ে আবারও হতাশ করেছে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল। আগের দিনের বিপর্যয় সামাল দিতে ব্যর্থ হয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ৪৬ রান পিছিয়েই অলআউট হয়ে যায় সফরকারীরা। ফলে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পায় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে একমাত্র প্রতিরোধ গড়েন বাবর আজম। একপ্রান্ত আগলে রেখে তুলে নেন দারুণ এক ফিফটি। তবে অন্যপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হয়নি তাদের। শেষদিকে সাজিদ খানের ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস ব্যবধান কিছুটা কমিয়েছে।







